ফেনী-৩: মিন্টুর দ্বৈত নাগরিকত্বে প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে আপিল
মার্কিন নাগরিকত্ব প্রত্যাহার না করে নির্বাচনি হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন ফেনী-৩ (দাগনভূঁইয়া-সোনাগাজী) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। শুধু নাগরিকত্বই নয়, মামলার তথ্যও গোপন করেছেন তিনি। এর প্রমাণসহ আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে আপিল করেন ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের আইনজীবীরা। বিভিন্ন তথ্য গোপন করার পরও আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করায় এই আপিলে ফেনী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হককেও বিবাদী করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে বেরিয়ে গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান ড. ফখরুদ্দিন মানিকের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।
আপিল আবেদনে বলা হয়, আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব রয়েছে। কিন্তু হলফনামায় তিনি সেই তথ্য গোপন করেছেন। হলফনামায় মিন্টু দাবি করেছেন ৯ ডিসেম্বর তিনি তার মার্কিন নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেছেন। যদিও তার স্বপক্ষে কোনো তথ্য দেননি। কিন্তু মার্কিন পাসপোর্ট ব্যবহার করে আব্দুল আউয়াল মিন্টু গত ৪ ডিসেম্বর থাইল্যান্ডে গেছেন। ১৫ ডিসেম্বর থাইল্যান্ড থেকে ফিরেছেনও মার্কিন পার্সপোর্ট ব্যবহার করে। ৯ ডিসেম্বর মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করে থাকলে এটা সম্ভব ছিল না।
আপিলে আরও বলা হয়, হলফনামায় বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্যও গোপন করেছেন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী এ কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: